সীমান্তে কঠোর নজরদারির মাধ্যমে মাদক চোরাচালান বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য, ঢাকা মহানগর উত্তরের আমীর ও ডিএনসিসির মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। বলেন, মাদকের ছোবল থেকে দেশকে রক্ষা করতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ আরও জোরদার করে প্রশাসনকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।

শুক্রবার (২৬ জুন) রাতে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের অঞ্চল কার্যালয়ে আয়োজিত বিশ্ব মাদকবিরোধী দিবসের এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা জানান।

সেলিম উদ্দিন জানান, ২৭, ২৮, ২৯ ও ৩০ জুন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকাজুড়ে গণসচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে। তিনি বলেন, "মাদককে না বলুন, জীবনকে হ্যাঁ বলুন" এই স্লোগানকে সামনে রেখে সমাজে মাদকের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলা হবে।

তিনি বলেন, অনেকেই ধূমপানকে মাদকের অন্তর্ভুক্ত মনে করেন না। অথচ ধূমপান থেকেই অনেকের মাদকাসক্তির সূচনা হয়। তাই ধূমপানসহ সব ধরনের মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের ঘৃণা নয়, বরং যথাযথ চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে মাদকাসক্তদের চিকিৎসা সাধারণ মানুষের সামর্থ্যের মধ্যে নিয়ে আসার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।

প্রতিটি পরিবার ও তরুণ সমাজের মধ্যে নৈতিক শিক্ষা, খেলাধুলা এবং সুস্থ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রসারের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, এসব উদ্যোগ তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সেলিম উদ্দিন বলেন, জামায়াতে ইসলামী ভালোবাসা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে মাদকাসক্তদের সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে কাজ করবে। তিনি বলেন, ইসলাম কখনো মানুষের ক্ষতি করে না; বরং মানুষের জীবনকে সুন্দর, নিরাপদ ও কল্যাণময় করে তোলে।

তিনি আরও জানান, গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তর ধারাবাহিকভাবে কাজ করবে। পাশাপাশি যেসব কোম্পানি মাদকজাতীয় পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করছে, সেসব বিষয়েও সরকারের দৃষ্টি দেওয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি রেজাউল করিম, সহকারী সেক্রেটারি, ইয়াসিন আরাফাত ও প্রচার সম্পাদক আতাউর রহমান সরকারসহ আরও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।