বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম বলেছেন, শত অত্যাচার নির্যাতনের পরেও ইসলামী আন্দোলনের দূর্বার গতিকে থামানো যায়নি।

এখনো বসে থাকলে বা নিষ্কৃয় থাকলে আল্লাহর আদালতে কি জবাব দিবেন ভেবে দেখুন। একশ্রেনীর টকশোজীবী এই প্রপাগান্ডা চালিয়েছিল যে, জামায়াতে ইসলামী শেষ হয়ে গেছে। আর কখনো এই দল ঘুরে দাঁড়াতে পারবেনা। কিন্তু আল্লাহ তায়ালা আমাদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ সহ হাজার হাজার নেতা কর্মী সমর্থকের কোরবানীর বিনিময়ে আজ জামায়াতকে মর্যাদার আসনে বসিয়েছেন।

তিনি বলেন, আপনারা শপথের কর্মী। আপনারা যদি দ্বীন বুঝে শপথ নিয়ে থাকেন তাহলে আপনাদের প্রতি দ্বীন কায়েমের রাজপথে সামিল হ্ওয়ার উদাত্ত আহবান জানাই।

তিনি ২০শে জুলাই সোমবার রাতে ফেনী শহর জামায়াত আয়োজিত ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাবেক সাথী ও সদস্যদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথির বক্তব্য দান কালে এসব কথা বলেন।শহর আমীর ইন্জিনিয়ার নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী মাওলানা সামাউন হাসানের সন্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন, কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও সাবেক ফেনী জেলা আমীর অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঞা, কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও অপর সাবেক জেলা আমীর একেএম শামছুদ্দিন, কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য নোয়াখালী জেলার সাবেক আমীর মাওলানা আলাউদ্দিন, কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও ফেনী জেলা আমীর মুফতি আবদুল হান্নান। আরো উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও জেলা নায়েবে আমীর অধ্যাপক আবু ইউছুপ, কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও জেলা নায়েবে আমীর মাওলানা মাহমুদুল হক, জেলা সমাজ কল্যান সম্পাদক আবু ইউছুপ, জেলা মিডিয়া সম্পাদক আনম আবদুর রহিম প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথি মাওলানা আবদুল হালিম বলেন,আসুন আমরা আমাদের আমলকে বিশুদ্ধ করি এবং ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের কল্যাণে অবদান রাখতে সচেষ্ট হ্ই।

এর আগে তিনি জেলা জামায়াত আয়োজিত জেলার সকল উপজেলা আমীর সেক্রেটারী, পৌর আমীর সেক্রেটারী, জেলা শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্যদের অপর এক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ন বক্তব্য রাখেন।

জেলা আমীর মুফতি আবদুল হান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত দায়িত্বশীল সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন , নানামুখী ষড়যন্ত্র চলছে। সকল ষড়যন্ত্রের জাল ছিহ্ন করে ইসলামকে বিজয়ী করতে হবে।

দায়িত্বশীলদের ত্যাগ কোরবানীর মধ্য দিয়ে সেই বিজয় অর্জিত হবে ইনশাআল্লাহ।তিনি শৃঙ্খলা ও আনুগত্যের ব্যাপারে সংগঠনের সিদ্ধান্তকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়ার আহবান জানান।তিনি ফেনীতে মহিলাদের মধ্যে কাজ বাড়াতে বলেন।তিনি আরো বলেন, এদেশের মহিলা পুরুষ বিগত ৫৪ বছরের অপশাসনে অতীষ্ট। তারা এখন জামায়াতকে ক্ষমতায় দেখতে চায়। তাদের আকাংখা অনুযায়ী এদেশকে একটি কল্যানমুখী ইনসাফের রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের সবার।