টাঙ্গাইলের নাগরপুরে বিদ্যুৎ এর তীব্র লোডশেডিং এ জনজীবন দূর্বিষহ হয়ে পড়েছে। সম্প্রতি বিদ্যুৎ এর লোডশেডিং আরও ভয়াবহ প্রকট হয়ে ওঠেছে। এক দিকে প্রচন্ড তাপদাহ ও অসহনীয় গরম অন্যদিকে বিদ্যুৎ এর লাগামহীন লোডশেডিং জনদূর্ভোগ আরো বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্ক ব্যাক্তিরা পানিবাহীত রোগসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এ ছাড়া বিদ্যুৎ নির্ভর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়ছে।
এ দিকে নিরববিছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য স্থানীয় সাংসদ মন্ত্রী বরাবর ডিও লেটার পাঠিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়,নাগরপুর উপজেলায় পল্লী বিদ্যুৎ এর আওতায় ১ লক্ষ ১০ হাজার গ্রাহক রয়েছে।
গ্রাহক অনুযায়ী এই উপজেলায় বিদ্যুৎ এর চাহিদা ২৮ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ মাত্র ৯ মেগাওয়াট। ৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিয়ে গোটা উপজেলায় জোড়াতালি দিয়ে বিদ্যুৎ সরবারহ করে গ্রাহক সেবার নামে দায় এরাচ্ছে বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ।
গ্রাহক মোঃ আয়নাল সিকাদার জানান, বিদ্যুৎ যায় না, মাঝে মধ্যে শুধু একটু আসে। উপজেলা সদরে ২৪ ঘন্টায় ৬-৭ ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকলেও গ্রামের অবস্থা আরও ভয়াবহ। অন্যদিকে ভোল্টেজ উঠা নামার কারনে বিদ্যুৎ বিল বেশী আসছে বলে অভিযোগ একাধিক গ্রাহকের। ১৩৫ টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনের নির্বাচনী এলাকায় তীব্র লোডশেডিং নিরসন ও বিদ্যুৎ ঘাটতি পূরনে স্থানীয় সংসদ সদস্য মোঃ রবিউল আওয়াল লাভলু মন্ত্রী বরাবর ডেমি অফিসিয়াল লেটার (ডিও লেটার) পাঠান।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এমপি পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইডি) চেয়ারম্যানকে ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য ডিও লেটারটি প্রেরন করেন। সহসা এ বিদ্যুৎ বির্পযয় কেটে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন সাংসদ মোঃ রবিউল আওয়াল লাভলু।
পল্লী বিদ্যুৎ নাগরপুর জোনাল অফিসের ডিজিএম (অতিঃ) নয়ন চন্দ্র সরকার জানান, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় লোড শেড হচ্ছে। উর্ধ্বতন কর্মকতাকে লিখিত ভাবে জানানো হয়েছে। সরবারহ বাড়লে বিদ্যুৎ সরবারহ স্বাভাবিক হবে।